Home Amader Somoy মারধর করেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা, ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বাবা-মা

মারধর করেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা, ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বাবা-মা

[ad_1]

ছেলের বিরুদ্ধে করা সংবাদ সম্মেলনে তোজাম্মেল ফকির ও তার স্ত্রী। ছবি : আমাদের সময়

বগুড়ার গাবতলী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদ্য বহিস্কৃত সভাপতি ফারুক আহমেদের মারধর ও ভয়-ভীতির কারণে তার বৃদ্ধ বাবা-মা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেন ফারুকের বাবা তোজাম্মেল ফকির।

সংবাদ সম্মেলনে তোজাম্মেল ফকির জানান, তাকে ও তার স্ত্রীকে বিভিন্ন সময় অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়ে আসছেন তাদের ছেলে ফারুক আহমেদ। এ কারণে তিনি জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ ফারুক আহমেদকে উপেজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করে।

তোজাম্মেল ফকির জানান, পরবর্তীতে ফারুক আহমেদ কৌশলে তার বাবাকে ফুসলিয়ে অভিযোগ তুলে নেন। এমতাবস্থায় গত ৭ ডিসেম্বর বিকেলে ফারুক তার স্ত্রী, সন্তান ও সহযোগীদের নিয়ে বাড়িতে এসে পুনরায় তার বাবা-মাকে মারপিট করে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে নিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এ ঘটনায় ১৫ ডিসেম্বর আদালতে মামলা করেন তিনি।

তোজাম্মেল ফকির আরও জানান, মামলা দায়েরের পর আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন ফারুক আহমেদ। তোজাম্মেল ও তার স্ত্রীকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন ফারুক। তাদের বাড়িতে উঠতে দিচ্ছেন না তিনি। ছেলের হুমকি-ধামকিতে তোজাম্মেল ও তার স্ত্রী পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন।

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ফারুক আহমেদ জানান, তার বাবা-মা সহজ-সরল ও অর্ধ-শিক্ষিত মানুষ। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি গাবতলী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং ২৮ ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন ষড়যন্ত্র করে তার সহজ সরল বাবা-মাকে ভুল বুঝিয়ে সামাজিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি দাবি করেন, এর আগেও ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল, যা পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মীরা সরেজমিন তদন্ত করে সত্যতা পেয়েছেন।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রহমান শান্ত জানান, তিনি বিষয়টি জানেন, ফারুক আহমেদকে বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও বাবা-মার ওপর নির্যাতন করেই গেছেন। তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

গাবতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুজ্জামান জানান, মারপিট বা বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার বিষয়টি তার জানা নেই। থানায় কোনো অভিযোগও দেওয়া হয়নি।



[ad_2]

You may also like